২৬ এপ্রিল ঘিরে শঙ্কা, মুখোমুখি হবে কি আওয়ামী লীগ-বিএনপি

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২৪, ২১:০৪
...
২৬ এপ্রিল নয়াপল্টনের সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের পরিকল্পনা বিএনপির। সরকারকে বিদায়ের হুশিঁয়ারি দিয়ে নেতারা বলছেন, আন্দোলনে রাজপথে নেমে আসবে জনগণ। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতাদের পাল্টা হুশিঁয়ারি, বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইসঙ্গে ওইদিন রাজধানীতে শান্তি সমাবেশের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তারা।

গেল বছরের ২৮ অক্টোবর সবশেষ ঢাকায় বড় কর্মসূচি পালন করেছিল বিএনপি। ওইদিন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশের ডাক দেয় তারা। তবে নজিরবিহীন অরাজকতা এবং জ্বালাও পোড়াওয়ে নিহত হন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত হন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

আক্রান্ত হয় প্রধান বিচারপতির বাসবভনসহ বেশকিছু স্থাপনা। এসব ঘটনায় করা মামলায় দলের মহসাচিবসহ শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় সব নেতাই গ্রেফতার হন তখন। এরমধ্যে গেল ৭ জানুয়ারি বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয় দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন।

নির্বাচনের পরপর মহাসচিবসহ দলের বেশিরভাগ নেতা জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও রাজনৈতক কর্মসূচির মাধ্যমে দলকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২৬ এপ্রিল আবারও নয়াপল্টনে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিএনপি।

নেতারা ২৬ এপ্রিলের সমাবেশকে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে এক দফা দাবি আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নেতা ড. মঈন খান বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটি, গণতন্ত্র ফেরাতে হবে। আমরা এই সরকারের বিদায় চাই।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে, তাই সরকার বিদায়ে আমরা কৌশল নির্ধারণ করছি। অধিকার আদায়ে জনগণ সড়কে নামবে, বিএনপি আন্দোলন পরিচালনা করে সরকারকে বিদায় করবে।

এদিকে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সমাবেশ করা রাজনৈতিক দলের অধিকার। তবে সমাবেশ ঘিরে কোনো বিশৃঙ্খলা হলে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ২৬ এপ্রিল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবে জানিয়ে রাজধানীতে শান্তি সমাবেশের ইঙ্গিত দেন।

আসন্ন উপজেলা নির্বাচন নিয়ে জনগণ উন্নয়নের প্রতিদান দেবে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগের এই জেষ্ঠ্য নেতা।

সর্বশেষ

সর্বশেষ