আজও প্রাসঙ্গিক নজরুল

আবু আফজাল সালেহ
প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২২, ১২:০৮
...

কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক। বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর কবিতা ও গান পশ্চিমবঙ্গসহ দুই বাংলাতেই সমানভাবে সমাদৃত। শিশু, তরুণ, বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের কাছে কবির লেখা সমান জনপ্রিয়। কবিতা ও গানে বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। তাঁর কবিতার বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে মানুষের প্রতি মানুষের অত্যাচার ও দাসত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

সাম্যবাদী চিন্তাচেতনা কবি নজরুলকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। বিপ্লবী ছিলেন অন্যায়-অসাম্যের প্রতি। ব্রিটিশ বা জুলুমবাজ শাসকদের প্রতি কবির শুধু ঘৃণাই ছিল না, ছিল বিদ্রোহ। বিপ্লবী ছিলেন। তারই প্রমাণ মেলে কবির বিভিন্ন কবিতা, প্রবন্ধ ও গানে। এ ব্যাপারে অধ্যাপক শিবনারায়ণ রায়ের একটি ছোট্ট কথা উল্লেখ করছি। শিবনারায়ণ রায় বলেন, ‘সেই যুগে একটা ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়েছিল, যেটা হলো দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে সমাজবিপ্লবকে মেলানো। স্বদেশি আন্দোলনে যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁরা সমাজবিপ্লবের কথা ভাবতেন না। কিন্তু এ বিপ্লব ছিল নজরুলের রক্তে।’ এসব চিন্তাচেতনায় তিনি এখনো প্রাসঙ্গিক। নজরুল একই সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি বা স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। তাঁর একই কবিতা বা প্রবন্ধে এসব অনুষঙ্গ একই সঙ্গে অবতারণাও হতে দেখেছি।

নজরুল বাংলা কাব্যের জগতে স্বকীয়তাসহ পা রাখেন বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২) কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে। তাঁর আগে, উনিশ শতকের শেষভাগ আর বিশ শতকের দ্বিতীয় দশক পর্যন্ত যাঁরা বাংলা সাহিত্যের জগতে দাপটের সঙ্গে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন, তাঁদের বড় অংশই ছিল হয় ব্রিটিশ সরকারের সুবিধাভোগী, তা না হলে সুবিধাপ্রত্যাশী। তাঁদের শিক্ষাদীক্ষা অথবা চিন্তাচেতনার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে রাষ্ট্রক্ষমতার সম্পর্ক¤ছিল। নজরুলের কাব্য-কবিতা আর চেতনা প্রবলভাবে মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্তসুলভ চাতুরী ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত। যেখানে আঘাত করার, সেখানেই তাঁর আঘাত। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর বেশ কয়েকটি কবিতা ও প্রবন্ধের বই। শুধু তা-ই নয়, তাঁর সংবাদ সংগ্রহের জন্য পেছনে লাগিয়ে দেওয়া হয় গোয়েন্দা। ১৯২২ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামের পাঁচটি বই বাজেয়াপ্ত করা হয়। বাজেয়াপ্ত না হলেও দেশদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত হয় তাঁর আরও কিছু বই। নজরুলের প্রথম যে বই নিষিদ্ধ হয়, তার নাম ‘যুগবাণী’। ১৯২২ সালে ফৌজদারি বিধির ৯৯-এ ধারানুসারে বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। তৎকালীন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ‘যুগবাণী’-কে একটি ভয়ংকর বই হিসেবে চিহ্নিত করে বলা হয়। বলা হয়, লেখক বইটির মাধ্যমে উগ্র জাতীয়তাবাদ প্রচার করছেন। ‘ক্রীতদাস মানসিকতা’-র ভারতীয় জনগণকে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে শাসনভার দখলের মন্ত্রণা জোগাচ্ছেন। নবযুগ পত্রিকায় লেখা কাজী নজরুল ইসলামের কয়েকটি নিবন্ধনের সংকলন ‘যুগবাণী’।

১৯২৪ সালে নজরুলের দুটি কবিতার বই পরপর নিষিদ্ধ হয়। প্রথমে ‘বিষের বাঁশী’। তৎকালীন বেঙ্গল লাইব্রেরির গ্রন্থাগারিক অক্ষয়কুমার দত্তগুপ্ত পাবলিক ইনস্ট্রাকশন বিভাগকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘লেখক “বিষের বাঁশী’র মাধ্যমে তাঁর বিপ্লবী অনুভূতির প্রকাশ করেছেন এবং তরুণদের বিদ্রোহ করতে এবং আইন অমান্য করতে প্ররোচনা দিচ্ছেন।’ ১৯২৪ সালের ২২ অক্টোবরের গেজেট ঘোষণা করে ‘বিষের বাঁশী’ নিষিদ্ধ করা হয়। ‘বিষের বাঁশী’র প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদটি ছিল অপূর্ব। একটি কিশোর হাঁটু মুড়ে বসে বাঁশি বাজাচ্ছে। তাকে জড়িয়ে আছে বিশাল এক বিষধর সাপ। কিন্তু কিশোরের চোখেমুখে ভয়ের চিহ্ন নেই। আর তার বাঁশির সুরে জেগে উঠছে নতুন দিনের সূর্য। এরপর ‘ভাঙার গান’ বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয় ১৯২৪ সালের ১১ নভেম্বর। নিষিদ্ধ ঘোষণা করেও বই দুটির প্রচার বন্ধ করা যায়নি। এরপর সরকারি রোষের কোপে পড়ে কাব্যগ্রন্থ ‘প্রলয়-শিখা’। কবির মনোজগতে তখন তোলপাড় চলছে। প্রিয় পুত্র বুলবুল মারা গেছেন। চোখে জল, কিন্তু বুকে আগুন। সেই আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়ল ‘প্রলয়-শিখা’র প্রতিটি শব্দে। ত্বরিতগতিতে ‘প্রলয়-শিখা’ ছুটল পুরো বাংলায়। তৎকালীন সরকারি কৌঁসুলি (পাবলিক প্রসিকিউটর) রায়বাহাদুর তারকনাথ সাধু ‘প্রলয়–শিখা’ সম্পর্কে¤বিরূপ মন্তব্য করে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডেপুটি কমিশনারকে জানান, বইটি ভারতীয় পেনাল কোডের ১৫৩ (এ) ও ১২৪ (এ) ধারা ভঙ্গ করেছে। তাই বইটিকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরামর্শ দেন তিনি। ‘প্রলয়–শিখা’ আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেয়াপ্ত হয় ১৯৩১ সালে।

‘প্রলয়–শিখা’র রেশ কাটতে না কাটতে বাজেয়াপ্তের খড়্গ নেমে আসে ‘চন্দ্রবিন্দু’র ওপর। এটি মূলত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের কবিতার বই। তৎকালীন সময়ের সমাজ ও রাজনীতির প্রতি ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ, শ্লেষপূর্ণ হাস্যরস ফুটে উঠেছে এর প্রতি ছত্রে। এর একটি কবিতা ‘কাফ্রি চেহারা ইংরেজি দাঁত,/ টাই বাঁধে পিছে কাছাতে/ ভীষণ বম্বু চাষ করে ওরা অস্ত্র আইন বাঁচাতে।’ ‘চন্দ্রবিন্দু’ নিষিদ্ধ হয় ‘প্রলয়–শিখা’ নিষিদ্ধ হওয়ার এক মাস পর, ১৯৩১ সালের ১৪ অক্টোবর। নজরুলের অন্যান্য নিষিদ্ধ বইয়ের মতো এটিও ভারতীয় দণ্ডবিধির ৯৯ (এ) ধারা অনুসারে বাজেয়াপ্ত করা হয়। উল্লিখিত পাঁচটি গ্রন্থ ছাড়াও ‘অগ্নিবীণা’, ‘ফণীমনসা’, ‘সঞ্চিতা’, ‘সর্বহারা’, ‘রুদ্রমঙ্গল’ প্রভৃতি বই ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এগুলো বাজেয়াপ্ত হয়নি। নজরুল তো বলেছেন, ‘মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’। হিন্দু-মুসলিম নিয়ে তাঁর উচ্চারণ ছিল পরিষ্কার, বলতে কুণ্ঠিত হননি। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধরা দেয় এভাবে। মানবতাই আসল। এ ছাড়া তিনি কিছুই বুঝতেন না। কবিতা-গান বা লেখায় ফুটে উঠেছে দৃপ্ত উচ্চারণ। কয়েকটি কবিতাংশ তুলে ধরছি। তাহলেই কবির অসাম্প্রদায়িক বা সাম্যবাদী চেতনতার সপক্ষে প্রমাণ পাওয়া যাবে। ‘হিন্দু-মুসলিম দুটি ভাই/ ভারতের দুই আঁখি তারা/ এক বাগানে দুটি তরু দেবদারু আর কদম চারা।’(হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক)

‘কারার ঐ লৌহ–কবাট,/ ভেঙে ফেল, কররে লোপাট,/ রক্তজমাট/ শিকল–পূজোর পাষাণ-বেদী।/ ওরে ও তরুণ ঈশান!/ বাজা তোর প্রলয়–বিষাণ!/ ধ্বংস–নিশান/ উড়ুক প্রাচী’র প্রাচীর ভেদি।’ (কারার ঐ লৌহ-কবাট, ভাঙার গান)। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সব সময় উচ্চকিত ছিলেন। অত্যাচারিত শাসকের প্রতি কবির ছিল ঘৃণা। ব্রিটিশ শাসকদের বিপক্ষে তিনি কাগজে ও সশরীর লড়েছেন। ফলে সত্যের পক্ষে ও শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে নজরুল ব্রিটিশরাজের রোষানলে পড়েছেন; জেল খেটেছেন। তাঁর ‘যুগবাণী’, ‘বিষের বাঁশী’, ‘ভাঙার গান’, ‘প্রলয়–শিখা’ ‘চন্দ্রবিন্দু’ ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। বাংলা সাহিত্যে সমকালীন বা এখন পর্যন্ত অন্য কোনো কবি বা সাহিত্যিকের একসঙ্গে এত গ্রন্থ একত্রে বাজেয়াপ্ত হয়নি। নজরুলই প্রথম ভারতবর্ষের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার কথা উচ্চারণ করেন। নজরুলের ব্রিটিশ রোষানলে পড়া বা তাঁর সাহিত্যকর্ম বাজেয়াপ্ত হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে এটি।

নজরুল বর্তমানেও খুবই প্রাসঙ্গিক। তাঁর জাতীয়তাবোধ, ধর্ম, বর্ণ, জাতিবিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে মনুষ্যত্বকে প্রাধান্য দেওয়ার উদার জীবনদর্শন, নতুন প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জরুরি একটি পাঠ হতে পারে।

আজকের পৃথিবীতে যখন মানুষ সম্প্রদায় বা ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হতে হতে ক্রমে ছোট হতে বসেছে, শেষ হতে বসেছে সম্প্রীতি, সমানুভবের মতো বিষয়গুলো, ফলে নতুন করে কাজী নজরুলের প্রাসঙ্গিকতা এখনো আছে। সামাজিক এবং ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বা অসাম্প্রদায়িকতার মতো বিষয়গুলোর বিরুদ্ধে সুস্থ পরিবেশ, দৃঢ় মানসিক গঠনের জন্য নজরুলকে সামনে আনা দরকার। স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে আরও বেশি করে নজরুল ইসলামকে জানানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।

কারণ, তাঁর অসাম্প্রদায়িকতার চেতনতার দৃঢ়তা আমাদের অনেক শিক্ষা দেয়। নজরুল তাঁর চারটি সন্তানের নাম রেখেছিলেন হিন্দু–মুসলমানের মিলিত ঐতিহ্য ও পুরাণের আলোকে। তাঁর সন্তানদের নাম যথাক্রমে কৃষ্ণ মুহাম্মদ, অরিন্দম খালেদ, কাজী সব্যসাচী ও কাজী অনিরুদ্ধ। অসাম্প্রদায়িক নিদর্শন আর কী হতে পারে! তাঁর রচিত গজল, ইসলামি সংগীত ও শ্যামাসংগীত সমানভাবে জনপ্রিয়।

কবি নজরুল ছিলেন সুন্দরের পূজারি। আবার অসুন্দরের প্রতি বিদ্রোহী। তাঁর মধ্যে প্রেম ও বিদ্রোহী সত্তা একসঙ্গেই ছিল। ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য’ কবিতাংশের মতোই দুটি সত্তা পাশাপাশি প্রবাহিত। প্রবল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই তিনি বলেছেন, ‘সুন্দরের ধ্যান, তার স্তব গানই আমার উপাসনা, আমার ধর্ম। যে কূলে, যে সমাজে, যে ধর্মে, যে দেশেই জন্মগ্রহণ করি, সে আমার দৈব। আমি তাকে ছাড়িয়ে উঠতে পেরেছি বলেই কবি।’(প্রতিভাষণ, নজরুল ১৯২৯)। এখানেই কবির চরিত্রের দৃঢ়তা বোঝা যায়। এমন মনোভাব বর্তমানে খুবই দরকার। এমন মনোভাব আমরা নজরুল থেকে পেতে পারি।

১৯৭২ সালের ২৪ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি নজরুল ইসলামকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। কবির বাকি জীবন বাংলাদেশেই কাটে। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তনে তাঁকে এ উপাধি প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। যথেষ্ট চিকিৎসা সত্ত্বেও নজরুলের স্বাস্থ্যের বিশেষ কোনো উন্নতি হয়নি। কবির জীবনের শেষ দিনগুলো কাটে ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র সকাল ১০টা ১০ মিনিটে কবি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯২৩ সালে ১০ জানুয়ারি নজরুলের এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পর কবির জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ‘বসন্ত’ নাটকটি নজরুলের নামে উৎসর্গ করেন ১৯২৩ সালে। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে নজরুলের পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো ছিল বলে জানা যায়।

পরের প্রতি উৎসর্গিত সাহিত্যরচনা তাঁদের বন্ধনের দৃঢ়তা প্রমাণ করে। অজয় নদের এপাড়-ওপাড়ে এমন দুজন মানুষ রবীন্দ্র-নজরুল। এই দুজন মানুষ বাংলা ভাষাকেন্দ্রিক এক বিরাট জনগোষ্ঠীকে এক বাঁধনে বেঁধেছেন, বিভক্ত দেশের সব সীমারেখা মুছে দিয়ে। বলা চলে বাঙালির সংস্কৃতিকে অবিচ্ছেদ্য করে তুলেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও নজরুলকে নিয়ে আরও আলোচনার দাবি রাখে।

লেখক: কবি

সর্বশেষ